সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬, ০১:৩৬ পূর্বাহ্ন
“পোশাক যতই ঝলমলে হোক, ভুল জুতা পুরো লুকটাই শেষ!”
অনলাইন ডেস্ক
ঈদের সাজের পুরো আয়না তখনই পূর্ণ হয়, যখন পায়ে থাকে মানানসই এক জোড়া নিখুঁত জুতা। অথচ অনেকেই ঈদের শেষ মুহূর্তে জুতা কেনেন, শুধু ‘আসল’ পোশাকের রঙ দেখে। কিন্তু ফ্যাশন সচেতনরা জানেন, এক জোড়া সঠিক জুতা শুধুই ঈদের জন্য নয়—এটা পরবর্তী বহু আয়োজনের সঙ্গী।
তরুণীরা যেখানে ব্লক হিল, ব্যালেরিনা, মিউজ বা পাম্পসে ভরসা রাখছেন, সেখানে পুরুষদের পছন্দ নাগরা, লোফার কিংবা ক্লাসিক অক্সফোর্ড। কালো, বাদামি, ধূসর বা মেরুন—স্যুট কিংবা পাঞ্জাবির সঙ্গে ম্যাচ করে রঙ বেছে নেওয়া হচ্ছে এখন ট্রেন্ড। আর হিলের জাদুতে ঈদের শাড়ি কিংবা সালোয়ার কামিজও হয়ে উঠছে আরও গর্জিয়াস।
জুতা কেনার আগে রং আর ডিজাইনের পাশাপাশি দেখতে হবে সোলটা কতটা ফ্লেক্সিবল। শক্ত সোল মানেই পায়ের কষ্ট আর অল্পদিনেই জুতার ছন্দপতন। হিল পরলে নিচে বাড়তি সোল লাগিয়ে নিতে পারেন মুচির কাছ থেকে—দীর্ঘস্থায়ী হবে আবার পায়ের আরামও থাকবে।
‘মুচি বাড়ি’র মতো অনলাইন ব্র্যান্ডে এখন কাস্টমাইজড জুতার চাহিদা তুঙ্গে। আপনি পছন্দের ডিজাইনের ছবি পাঠালেই মিলবে আপনার পায়ের মাপে তৈরি ট্রেন্ডি স্যান্ডেল বা কনভার্স। এ ছাড়াও স্টাইলিশ ড্রেস শু, ফ্ল্যাট স্যান্ডেল কিংবা গরমকালের আরামদায়ক মোকাসিন তো রয়েছেই।
তরুণ-তরুণী থেকে শুরু করে কর্মজীবী, পার্টি প্রেমিক বা ঘুরে বেড়ানো মানুষ—সবাই চাইছেন এমন জুতা যা স্টাইলিশ, আরামদায়ক আর বহু অনুষ্ঠানে পরা যায়। কারণ ঈদ মানেই তো শুধু এক দিনের সাজ নয়, বরং বছরের বেশ ক’টা আয়োজনে নিজেকে ফুটিয়ে তোলার নতুন সুযোগ।
আরাম আর স্টাইলের সঠিক মিশ্রণেই আসল ফ্যাশনের জাদু। তাই এই ঈদে জুতা কিনুন বুঝে-শুনে, ট্রায়াল দিয়ে। বাজেট রাখুন কমপক্ষে দেড় হাজার থেকে পাঁচ হাজার টাকার মধ্যে। কারণ আপনার লুকটা যেন না হয় ‘আধখানা’। ঈদের সাজে জুতা হোক পুরো প্রস্তুতির ‘গেম চেঞ্জার’!